ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার বজরাটেক সবজা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে র্দীর্ঘ দিন ধরে সভাপতি আফরাজুল হক বাবু ও প্রধান শিক আ: শুকুরের বিরুদ্ধে অর্থআত্মসাত ও নানা দূর্নীতির অভিযোগ উঠলে ম্যানেজিং কমিটির মধ্যে দফায় দফায় বহু দেনদরবার অনুষ্ঠিত হয়। নানা নাটকীয়তায় ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে তদন্ত কমিটি করা হলে অর্থআত্মসাত ও দূর্নীতির প্রমাণ পায় তদন্ত কমিটি। বিষয়টি নিস্পত্তি বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটি ব্যার্থ হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠে। এক সময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের নজর কাড়লে অনুসন্ধান ভিত্তিক সংবাদ প্রচার হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হলে শুরু হয় প্রশাসনিক তদন্ত কাজ। একে একে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রনালয় পর্যন্ত গড়িয়ে তদন্ত সম্পূর্ণ হয়। ঐ সব তদন্তেও বেরিয়ে আসে অর্থআত্মসাত ও দূর্নীতির বিষয়টি। প্রেীতে ২৭ ফের্রুয়ারী/১৪ শিা মন্ত্রনালয়ের সিনিয়ার সহকারী সচিব কাউসার নাসরিন স্বারিত এক চিঠিতে শিা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে প্রধান শিক আব্দুস শুকুরের এমপিও বাতিল/ স্থগিত এবং রাজশাহী শিা বোর্ড চেয়ারম্যানকে সভাপতি বাতিলের চিঠি প্রদান করেন আদেশ বাস্তবায়নের জন্য। কিন্তু রহস্যজনক কারণে পিতাবন্দি থেকে যায় এ আদেশটি। বেগতিক হয়ে ভূক্তভূগি ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগণ অপর একজন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মিজানুর রহমানকে বাদি হওয়ার অনুমোতি দিয়ে হাইকোর্টে ৭৬৭৯/২০১৪ রীটপিটিশন করেন। ফলে ১ অক্টোবর হাইকোর্ট সভাপতি পদ বাতিল ও প্রধান শিকের এমপিও বাতিলের রোল জারি করেন এবং ৬ মাসের মধ্যে শিক ও কর্মচারী নিয়োগ স্থগিত করেন।এ ব্যাপরে বাদি মিজানুর রহমান বলেন, রাজশাহী শিাবোর্ড চেয়ারম্যান বরাবর নতুন কমিটি দেয়া হলে তিনি তা গ্রহন করেন এবং অপর একটি কমিটির তালিকায় স্বার করেন। রিসিভকৃত তার স্বারিত নতুন ম্যানেজিং কমিটির উপর দায়িত্ব পালনের জন্য হাইকোর্ট রোল জারি করেন। প্রেেিত ২০ নভেম্বর/১৪ ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মতি সিদ্ধান্তক্রমে নিয়মতান্ত্রীক ভাবে মিজানুর রহমানকে সভাপতি করে তার স্বারিত বিএস/২০১৪/০২ নং স্মারকে অর্থআত্মসাত ও দূর্নীতির দায়ে সাময়িক বরখাস্ত সংক্রান্ত চিঠি প্রধান শিক আব্দুস শুকুরকে চিঠি প্রেরণ করা হয় এবং বিএস/২০১৪/০৩ নং স্মারকে সিনিয়ার শিক রবিউল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এ ব্যাপারে আব্দুস শুকুরের সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি সাময়িক বরখাস্তের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে এ চিঠির কোন মূল্য নাই বলে জানান। অপর দিকে দাবীদার সভাপতি আফরাজুল হক বাবু জানান, তিনি এখনও সভাপতি। তাদের করা হাইকোর্টের রীটপিটিশানুযী রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিবোর্ড বিদ্যালয় পরিদর্শক ২৫অক্টোবর স্বারিত চিঠিনুযায়ী তিনি সভাপতি বহাল রয়েছেন বলে জানান। তবে মিজানুর রহমানের সভাপতি হয়ে চিঠি প্রদানের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এ বিষয়ে তিনি আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানান।
আরও পড়ুন...
নওগাঁয় শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা সভা
এন বিএন ডেক্সঃ নওগাঁয় কোভিড-১৯ সময়ে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। …