এনবিএন ডেক্সঃ গরমে অসি’র নওগাঁর জনপদ। গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নওগাঁর জনপদ। দিনে বাতাসে আগুনের হল্কা। যেন রোদে মুখ পুড়ে যাবার উপক্রম। তার সাথে ভ্যাপসা গরম। টাটানো রোদে ঘর ছেড়ে বাইরে বের হতে পারছে না মানুষ। সূর্য যেন নিচে নেমে এসেছে। বগুড়া ও রাজশাহী আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য মোতাবেক জানা যায় গতকাল মঙ্গলবার নওগাঁয় এ পর্যন্ত এ বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। অথচ এর আগের দিন গত সোমবার নওগাঁর তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। অর্থাৎ ২৪ ঘন্টায় প্রায় ৪ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেড়েছে। প্রচন্ড দাবদাহে মানুষ মুর্চ্ছা যাচ্ছে। আক্রান্ত হয়ে পড়ছে শিশু সহ বৃদ্ধ ডায়রিয়া ও শ্বাস কষ্টসহ নানা অসুখে। এছাড়া গৃহপালিত পশুপাখি ও গরমে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পওয়ার সাথে সাথে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য ডাবসহ অন্যান্য পানীয়র দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন এক জোড়া ডাবের দাম ৮০ থেকে ৯০টাকা। প্রচন্ড গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে লোডশেডিং। বোরো সেচ বন্ধ, তবুও লোডশেডিং কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য মোতাবেক জানা গিয়েছিল সেচ বন্ধ হলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমে যাবে। কিন’ তার কোন বাস-বে মিল দেখা যাচ্ছে না। ভরা সেচ মৌসুমে রাতের বেলায় বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিল না। কিন’ সেচ মৌসুম শেষ হওয়ার সাথে সাথে প্রতিদিনই রাতে দিনে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। নওগাঁ বিদ্যুৎ সরবরাহ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী ফেরদৌস আলমের সঙ্গে কথা বললে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার আগে নওগাঁ বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ৫৫ মেগাওয়াট। সাড়ে ৬টার পর বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে ৮৪ মেগাওয়াট। সরবরাহের ৭০ শতাংশ দেওয়া হচ্ছে পিডিবিকে এবং ৩০ শতাংশ পাচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ বিভাগের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারনে ডিজেল চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো দিনের বেলায় বন্ধ থাকছে। এর ফলে দিনে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে। তবে রাতে বিদ্যুতের লোড সামাল দিতে ডিজেল চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন গুলো চালূ রাখা হচ্ছে। কিন’ আশাঅনুরূপ কোন বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন...
বে-সরকারী সংস্থার উদ্যোগে নওগাঁয় স্বামী কর্তৃক অগ্নিদগ্ধ গৃহবধু সম্পা এখন সুস্থ্য
এনবিএন ডেক্স : স্বামী কর্তৃক অগ্নিদগ্ধ গৃহবধু সম্পাকে দীর্ঘদিন ঢাকায় বার্ণ হাসপাতালে চিকিৎসার পর সুস্থ্য …