এনবিএন ডেক্সঃ নওগাঁর মান্দায় এক পাশন্ড স্বামী তার ১ম স্ত্রীর দু’টি হাতের রগ কর্তন করেছে। জানা গেছে উপজেলার দক্ষিণ পারইলের দেলোয়ার হোসেনের পুত্র হারুনুর রশিদ তার স্ত্রী রেজিয়া পারভিনের ডান হাতের ৪টি আঙ্গুলের রগ ও বাম হাতের কবজির নিচের অংশের রগগুলো কর্তন করেছে। গত সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হারুনুর রশিদ তার স্ত্রী রেজিয়ার বাবার বাড়িতে গিয়ে তার ছেলে রাকিবকে জোরপূর্বক আনতে গেলে রেজিয়া ও তার পরিবারের লোকজন বাধার মুখে হারুনুর রশিদ ক্ষিপ্ত হয়ে সামনে থাকা একটি ধারলো দা (কোবদা) দিয়ে রেজিয়ার হাত দু’টিতে পরপর আঘাত করলে এক হাতের ৪টি আঙ্গুল ও অপর হাতের কবজির নিচের অংশ কেটে যায়। রাজিয়া ও তার পরিবারের লোকজনের কান্নাকাটি শুনে সে পালিয়ে যেতে লাগলে প্রতিবেশি জহুরুল ইসলাম তাকে ধাওয়া করে ঝাপটে ধরে স’ানীয়দের সহযোগীতায় লম্পট স্বামী হারুনুর রশিদকে উপজেলার গনেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরী অফিসে আটক করে রাখে। তার স্ত্রীর সঙ্গে থাকা ৭ বছরের ছেলে রাকিবকে হারুনুর রশিদ তার নিজ বাড়িতে আনাকে কেন্দ্র করে ওই ঘটনা ঘটেছে। স’ানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মাসুদ রানা, সাবু, সাজু, আজিজুল, কামরুজ্জামান কামুসহ অনেকে জানান, উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের আজিবরের কন্যা রেজিয়ার পারভিনের সঙ্গে একই উপজেলার দক্ষিণ পারইল গ্রামের দেলোয়ারের পুত্র হারুনের সঙ্গে প্রায় ১০ বছর আগে বিয়ে হয়। বছর দেড়েক আগে হারুনুর রশিদ তার স্ত্রী রেজিয়াকে তালাক দেন। রেজিয়াও হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে কোর্টে একটি মামলা করে। মামলাটি আদালতে চলমান। লম্পট স্বামী হারুনুর রশিদ রেজিয়াকে তালাক দেয়ার পর আরও দু’টি বিয়ে করেছে বলেও স’ানীয়রা জানান। চেয়ারম্যান বাবুল চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রেজিয়ার হাতের রগ কাটার কারণে রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছে না। জরুরীভাবে মান্দা থানা স্বাস’্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে এবং থানায় সংবাদ দেয়া হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন- মামলার প্রস’তি চলছিল বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন...
বে-সরকারী সংস্থার উদ্যোগে নওগাঁয় স্বামী কর্তৃক অগ্নিদগ্ধ গৃহবধু সম্পা এখন সুস্থ্য
এনবিএন ডেক্স : স্বামী কর্তৃক অগ্নিদগ্ধ গৃহবধু সম্পাকে দীর্ঘদিন ঢাকায় বার্ণ হাসপাতালে চিকিৎসার পর সুস্থ্য …