22 Chaitro 1431 বঙ্গাব্দ শনিবার ৫ এপ্রিল ২০২৫
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ »
Home / প্রতিবেদন / নওগাঁ থেকে ট্রাকে ট্রাকে খড় নিয়ে যাচ্ছে অপরিচিত মহাজনরা

নওগাঁ থেকে ট্রাকে ট্রাকে খড় নিয়ে যাচ্ছে অপরিচিত মহাজনরা

এনবিএন ডেক্স: নওগাঁর জেলার প্রতিটি এলাকায় গো খাদ্যের সংকট থাকলেও দেশের অনত্র থেকে অজনা ‘মহাজন’রা প্রতিদিন নওগাঁ থেকে অধিক মুল্যে ট্রাকের পর ট্রাক ভর্তি খড় কিনে নিয়ে যাচ্ছে। মহাজনদের কেনা এই খড় গুলি ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও তাদের নিজস্ব পরিবহনে এ খড়গুলি কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিক্রেতারা তা জানতে পারছে না। কথিত এ সকল মহাজনরা জেলার সীমানত্ম সংলগ্ন ধামুরহাট, পত্নীতলা, সাপাহার, পোরশা, নিয়ামত ও বদলগাছি উপজেলা থেকে অধিকহারে খড় কেনায় অনেকেই ধারনা করছেন এই খড়ের আড়ালে প্রতিদিন অবৈধ ভারতীয় সামগ্রী পাচার হচ্ছে। নওগাঁ জেলার কৃষকদের গো খাদ্যের সংকট থাকলেও বরেন্দ্রে এলাকায় বড় বড় গৃহস’দের শত শত বিঘা জমির খড় তারা সংকট মৌসুমে বিক্রি করে থাকেন। সাধারণত এ সকল খড় আটিবাঁধা অবস্থায় ‘পন’ হিসাবে বিক্রি হয়। আর সাধারণ কৃষকেরা তাদের প্রয়োজনে এ সকল খড় আটি বাঁধা অবস্থায় না রেখে গরু দিয়ে মাড়াই করে খড়ের পালা করে রেখে দেন যা দিয়ে সারা বছর নিজেদের গরম্নর খাবার চাহিদা পুরণ করা হয়। মারাই করা এ সকল খড় আঞ্চলিক ভাবে ‘পোয়াল’ হিসাবেই পরিচিত যা বেচা কেনার প্রয়োজনে ‘ পালা চুক্তি’ হিসাবেই বেচা কেনা হয়। ধামুরহাট এলাকার ঠিকাদার আব্দুল মালেক এ ভাবে পোয়াল বেচা কেনা সর্ম্পকে মনত্মব্য করতে গিয়ে বলেন, আমার মনে সন্দেহ হয় যে এ ভাবে পোয়ালের আড়ালে ফেনসিডিল পাচার হয় কিনা। যুক্তি হিসাবে তিনি বলেন এমনিতেই ধামুরহাট সীমানত্ম পথে প্রচুর ফেনসিডিল আসে। বিভিন্ন ভাবে এ সকল ফেনসিডিল পাচার কালে র‌্যাব ও ক্ষেত্র বিশেষে পুলিশের হাতে চালানগুলো খুব ঘন ঘন ধরা পরতে থাকলেই তথাকথিত এ সকল খড়ের মহাজনের আর্বিভাব লক্ষ করা গেছে। তিনি আরো জানান তাঁর উপজেলায় চিহ্নিত কয়েকটি স’াানেই এ সকল গো খাদ্য নিদৃষ্ট ট্রাকে লোড করা হয়। আবার এ সকল ট্রাক ওই সকল চিহ্নিত স’ানে লোড করার পর প্রায় সারাদিন ধরে হেলপার ও চালক বিহীন অবস’ায় সড়কের ধারে পড়ে থাকার পর সন্ধার দিকে গনত্মব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। একই ধরনের মনত্মব্য করেছেন পত্নীতলার মীর বেলাল আহমেদ, সাপাহারের সামসুদ্দিন মন্ডল, পোরশার আফতাব উদ্দিন, বদলগাছির সামসুল আলম সহ আরো অনেকেই। তারা আরো মনত্মব্য করেন এ ধরনের ভরা ট্রাক চেকিং করা কিছুটা অসম্ভব। তাই চোরাকারবারিরা খুব সহজেই এ সকল ট্রাকে খড়ের আড়ালে আমদানী নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল সহ চোরাচালানের অন্যান্ন পন্য এমন কি ভারতীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ পর্যনত্ম দেশের যে কোন স’ানে নিয়ে যেতে পারবে। নওগাঁর বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা সালাহউদ্দিন মিন্টু মনত্মব্য করে বলেন দেশে যখন স্বাধীনতা বিরোধিদের বিচার প্রকৃয়া শুরম্ন হচ্ছে তখন এ বিচার বানচালের জন্য মহল বিশেষ হুমকিও দিচ্ছে। এমনকি মৌলবাদী কিছু চক্র দেশে সসস্ত্র বিল্পবেরও হুমকি দিচ্ছে। তাই সরকারের উচিত এ সকল ট্রাকে প্রকৃত কি পন্য যাচ্ছে সে বিষয়ে সর্তকতা অবলম্বন করা। তিনি আরো মনত্মব্য করেন যে এ সকল ট্রাক যে হেতু সীমানত্মবর্তি এলাকা থেকে বেশী যাচ্ছে তাই এগুলোর দিকে বিষেশ নজর না দিলে ভবিষৎএ এর জন্য সরকারকে বর ধরনের ঝুকির মধ্যে পড়তে হতে পারে। এ বিষয়ে নওগাঁর জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সেল ফোনে যোগযোগের চেষ্টা করে ও কোন কথা বলা যায়নি।

আরও পড়ুন...

বে-সরকারী সংস্থার উদ্যোগে নওগাঁয় স্বামী কর্তৃক অগ্নিদগ্ধ গৃহবধু সম্পা এখন সুস্থ্য

এনবিএন ডেক্স : স্বামী কর্তৃক অগ্নিদগ্ধ গৃহবধু সম্পাকে দীর্ঘদিন ঢাকায় বার্ণ হাসপাতালে চিকিৎসার পর সুস্থ্য …