এনবিএন ডেক্সঃ
লালমনিরহাটের বৃহত্তর উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হাজারো সমস্যায় জর্জরিত। ২ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে স্বাস্থ্যসেবা। এতে রোগীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। জেলার মধ্যবর্তী জনবহুল বৃহত্তর হাতীবান্ধা উপজেলা হলেও সুদৃষ্টি নেই সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। জনগণের দৌরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পেঁৗছানো সরকারের অভিযানকে বাধাগ্রস্ত করে স্বাস্য্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
জানা গেছে, প্রায় ২ বছর পূর্বে ৩১ শয্যা থেকে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উনি্নত করা হয়েছে। কিন্তু ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল পরিচালনা করতে ১৮ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও কর্তব্যরত রয়েছে মাত্র ২ জন। একদিকে চিকিৎসকসহ জনবল সংকট, অন্যদিকে জেনারেটরসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার যান্ত্রিক সরঞ্জাম না থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
এ ব্যা্পারে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: রমজান আলী বলেন, হাজারো সমস্যা থাকার পরও ২ জন চিকিৎসক দিয়ে যতটুকু সম্ভব রোগীদের সেবা দেয়া হচ্ছে। এমনি অবস্থায় সরকারি বরাদ্দকৃত ভ্যাকসিন রাখতে ফ্রিজের প্রয়োজন কিন্তু ফ্রিজ কেন কোন কিছুরই ব্যবস্থা নেই। আছে শুধু বিকল অবস্থায় একটি জেনারেটর, আর একটি এক্সরে মেশিন। যা ব্যবহার যোগ্য নয়।
বিশাল বিল্ডিং ও দ্বিতল হাসপাতাল ভবনে সুস্থ স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে চিকিৎসক, জনবল ও সরঞ্জাম, রোগ নির্ণয় মেশিন যান্ত্রিক সরঞ্জাম চেয়ে একাধিকবার চাহিদাপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হলেও তা শুধু ফাইলবন্দি হয়ে গেছে। তিনি বলেন, এমনি হাজারো সমস্যা সমাধান করা না হলে জনবহুল বৃহত্তর এই উপজেলাবাসীকে সুস্থ স্বাস্থ্য সেবা দিতে হাসপাতালটি নিজেই অসুস্থ হয়ে যাবে।
জানা গেছে, প্রায় ২ বছর পূর্বে ৩১ শয্যা থেকে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উনি্নত করা হয়েছে। কিন্তু ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল পরিচালনা করতে ১৮ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও কর্তব্যরত রয়েছে মাত্র ২ জন। একদিকে চিকিৎসকসহ জনবল সংকট, অন্যদিকে জেনারেটরসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার যান্ত্রিক সরঞ্জাম না থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
এ ব্যা্পারে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: রমজান আলী বলেন, হাজারো সমস্যা থাকার পরও ২ জন চিকিৎসক দিয়ে যতটুকু সম্ভব রোগীদের সেবা দেয়া হচ্ছে। এমনি অবস্থায় সরকারি বরাদ্দকৃত ভ্যাকসিন রাখতে ফ্রিজের প্রয়োজন কিন্তু ফ্রিজ কেন কোন কিছুরই ব্যবস্থা নেই। আছে শুধু বিকল অবস্থায় একটি জেনারেটর, আর একটি এক্সরে মেশিন। যা ব্যবহার যোগ্য নয়।
বিশাল বিল্ডিং ও দ্বিতল হাসপাতাল ভবনে সুস্থ স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে চিকিৎসক, জনবল ও সরঞ্জাম, রোগ নির্ণয় মেশিন যান্ত্রিক সরঞ্জাম চেয়ে একাধিকবার চাহিদাপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হলেও তা শুধু ফাইলবন্দি হয়ে গেছে। তিনি বলেন, এমনি হাজারো সমস্যা সমাধান করা না হলে জনবহুল বৃহত্তর এই উপজেলাবাসীকে সুস্থ স্বাস্থ্য সেবা দিতে হাসপাতালটি নিজেই অসুস্থ হয়ে যাবে।