নিজের দেশে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর বসবে, আর ব্রাজিলের চাকুরিজীবীরা খেলা দেখতে পারবে না, তা কি হয়। বিশ্বকাপ চলার সময় ছুটিছাটার ক্ষেত্রে অনেকটাই ছাড় দেয়া হচ্ছে। ১২ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত বিশ্বকাপ চলাকালে সরকারী ছুটির নীতি এরই মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। ব্রাজিলের খেলার দিনে দেশজুড়েই সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আধাবেলা ছুটি দেয়া হবে। পরে অবশ্য কাজ করে এই কাজের সময় পুষিয়ে দিতে হবে। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের ভেন্যু সাও পাওলোর নগরকর্মীদের জন্য ১২ জুন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আর অন্যান্য দিন এই শহরে খেলা চলার সময় ছুটি দেয়ার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ উদার থাকবে। ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে উদ্বোধনী ম্যাচ ছাড়াও সাও পাওলোতে আরো ৫টি ম্যাচ হবে। রিও দি জেনেইরোতে ১৮ ও ২৫ জুন অর্ধদিবস ছুটি ও ৪ জুলাই পুরো দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাজধানী ব্রাজিলিয়ায় সরকারী ও নগরকর্মীরা ব্রাজিলের খেলা ও নিজের শহরে খেলার সময় দুপুরে অফিস ছাড়তে পারবেন। বেলো হরিজন্তেতে ব্রাজিলের ম্যাচের দিন এ সুবিধা দেয়া হয়েছে। আরেক ভেন্যু নাতালে হওয়া চারটি ম্যাচের দিন কাজে যেতে হবে না সরকারী কর্মকর্তাদের। আর ব্রাজিলের ম্যাচ চলাকালে ছুটি দেয়ার ক্ষেত্রে উদার থাকবে কর্তৃপক্ষ। বিশ্বকাপের আয়োজক অন্যান্য শহরেও ম্যাচ চলার সময় এবং ব্রাজিলের খেলা চলার সময় ছুটি মঞ্জুর করতে আপত্তি করবেন না ঊর্ধ্বতনরা।
আরও পড়ুন...
নওগাঁয় ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
এনবিএন ডেক্সঃ নওগাঁয় পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন-এর সহায়তায় এবং মৌসুমী কৈশোর কর্মসূচির আওতায় ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা …