এন বি এন ডেক্সঃ নওগাঁর মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রুলিয়া ইসলামের অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়ে উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের মৃত কফের আলী সরদারের মেয়ে। এ ঘটনায় ডা. রুলিয়া ইসলাম ও তার চাচাতো বোন হোসনে আরার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বোন মামলার বাদি ফিরোজা বিবি জানান, প্রায় ৩ মাস আগে হোসনে আরার মাধ্যম মিরজান বিবি ডা. রুলিয়া ইসলামের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ নেয়। গত বুধবার সকাল ৯টার দিকে বাচ্চার ফিডার খাওয়ানোর বোতল পরিস্কার করতে গিয়ে মিরজানকে হাত থেকে পড়ে তা ভেঙ্গে যায়। এতে ডা. রুলিয়া ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে মিরজানকে বেদম মারপিট করেন। সে গুরুত্বর অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে কোন চিকিৎসা না করে ডা. রুলিয়া তার চাচাতো বোন হোসনে আরার মাধ্যমে তাকে বাবার বাড়ি এনায়েতপুর গ্রামে পাঠিয়ে দেন। রাতে মিরজান আরো অসুস্থ্য হয়ে পড়লে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় তাকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নেয় হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে তার লাশ এনায়েতপুর গ্রামে নেয়া হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন ফিরোজা বিবি বাদি হয়ে ডা. রুলিয়া ইসলাম ও হোসনে আরার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল্লাহ হেল বাকী জানান, এজাহার দাখিলের পর তার বাড়ি থেকে লাশ উদ্বার করে ময়না তদনে-র জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে ডা. রুলিয়া ইসলামের সঙ্গে সেল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অপরদিকে থানায় হত্যা মামলা হবার পরও পুলিশ কোন অজ্ঞাত কারণে ডা. রুলিয়া ইসলাম ও তার বোনকে গ্রেফতার করছেন না। এই নিয়ে এলাকার সচেতন মহলে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাড়িয়েছে। অপরদিকে মামলা আপোষ করার জন্য ডাক্তার রুলিয়া ইসলাম ও তার লোকজন মামলার বাদিনীকে চাপ দিচ্ছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন...
নওগাঁয় তরুণকে অপহরণ চেষ্টা, আটক ২
নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর মান্দায় এক তরুণকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন দুই …