8 Ashin 1427 বঙ্গাব্দ বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ »
Home / ক্রাইম নিউজ / নওগাঁয় ক্লিনিকে চিকিৎসকের ভূল চিকিৎসায় পাইলস রোগীকে পিত্তথলীর অপারেশান ——– রোগী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

নওগাঁয় ক্লিনিকে চিকিৎসকের ভূল চিকিৎসায় পাইলস রোগীকে পিত্তথলীর অপারেশান ——– রোগী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

এন বিএন ডেস্কঃ নওগাঁয় হাসপাতালের সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মুক্তার হোসেন পাইলস রোগী আসমা খাতুন (২৫)কে ভুল করে পিত্তথলী পাথরের অপারেশান করে পুনরায় আবারও পাইলস অপারেশান করায় মৃত্যুর সাথে আসমা এখন পাঞ্জা লড়ছে। ঘটনাটি ঘটিয়েছে শহরের প্রাইম ল্যাব এন্ড জেনারেল হাসপাতালে। আসমা খাতুন জেলার বদলগাছী উপজেলার কাষ্টডোব গ্রামের হাবিবুর রহমানের কন্যা ও ২ সন্তানের জনক বলে জানা গেছে। রোগীর ভাই আতোয়ার রহমান জানান, তার বোন আসমা খাতুন পাইলস রোগী। তাকে আপারেশান করানোর জন্য ১১ আগষ্ট দুপুরে ভর্তি করান শহরের প্রাইম ল্যাব এন্ড হাসপাতালে। ওই দিন ১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত নওগাঁ হাসপাতালের সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মুক্তার হোসেন ঐ হাসপাতালের অজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী ডাক্তার ইসকেন্দার হোসেন আসেন অপারেশান থিয়েটারে। সেখানে ছিল ৩ জন পিত্তথলীতে পাথরের রোগী এবং আসমা খাতুন ছিল পাইলস এর অ্পারেশানের রোগী। সেখানে ভূল করে তাকে পিত্তথলীতে পাথরের জন্য অপারেশান কার্যক্রম শুরু করেন। আসমা খাতুন বাধা দিলেও ডাক্তার কোন কথা না শোনে অজ্ঞান করে কেটে দেখে পিত্তথলীতে পাথর নাই। পরে সেলাই করে ৬ তলার ১৫ নং কেবিনের বেডে নিয়ে আসে। পরে ৩ রোগীকে পিত্তথলীর অপারেশান করার পর পাইলস রোগী না পেয়ে অনেক খোঁজা খুজির পর আবারও আসমা খাতুনকে নিয়ে পুনরায় পাইলস অপারেশান করে। একই ব্যক্তিকে দুটি অপারেশান করায় বর্তমানে রোগী মুত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বিষয়টি জানা জানি হলে ক্লিনিকের মালিক ইসকেন্দার ও মুক্তার হোসেন সটকে পড়েন। রোগীর তেমন কোন চিকিৎসা হচ্ছে না বলে জানান রোগীর স্বজনরা। এ বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত পূর্বক ডাক্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান তারা। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা কোন ফোন রিসিভ করে নাই। এ বিষয়ে নওগাঁর সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ আখতারুজ্জামান আলালের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান। নওগাঁর উল্লেখ্য শহরের হাসপাতাল রোডে প্রাইম ল্যাব লিঃ ২০ শয্যার অনুমোদন নিয়ে ক্লিনিক চালু থাকলেও প্রকৃত পক্ষে সেখানে ২০০ শয্যা চালু আছে। কয়েক ডজন সুন্দরী নার্স থাকলেও হাতে গোনা ২/১ জন ডিপ্লোমা ধারী নার্স আছে। প্যাথলজী বিভাগ থাকলেও প্যাথলজিষ্ট নেই। এক্সেরে মিশিন থাকলেও বিধি সম্মত অনুমোদন নেই। এক কথায় কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে এই ক্লিনিকটি তার কার্যক্রম চালিয়ে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রকাশ থাকে ক্লিনিকের স্বতাধিকারী ডাক্তার ইসকেন্দার হোসেন কয়েক যুগ হলেও কোথাও বদলি হয় না। অপরদিকে ক্লিনিকের পাশাপাশি চলছে নামমাত্র অনুমোদন নিয়ে নাসিং ইনষ্টিটিউট। ঐ ইনষ্টিটিউট নার্সদের শিক্ষা দেওয়ার মত কোন ডাক্তার নেই। এত কিছু হবার পর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কারো কোন নজরদারি নেই। এলাকাবাসী জরুরী ভিত্তিতে ক্লিনিকের কার্যক্রম তদন্ত পূর্বক বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন...

নওগাঁর সাপাহারে চোরাই মোটরসাইকেল সহ আন্ত:জেলা চোর চক্রের দুই সদস্য আটক

এন বিএন ডেস্কঃ নওগাঁর সাপাহারে থানা পুলিশের চৌকস অভিযানে ৩টি চোরাই মোটরসাইকেল সহ আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল …