22 Chaitro 1431 বঙ্গাব্দ শনিবার ৫ এপ্রিল ২০২৫
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ »
Home / সারাদেশ / নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলায় ধান কাটার শ্রমিক সংকট নিরসনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলায় ধান কাটার শ্রমিক সংকট নিরসনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ আবু বকর সিদ্দিকঃ নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আসন্ন ইরি-বোরো ধান কাটার শ্রমিক সংকট নিরসনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন জনসমাগম না করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে এই সভার আয়োজন করে। রবিবার দুপুরে রাণীনগর উপজেলার গোনা ইউনিয়নের ঘোষগ্রাম কফিলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুনের সভাপতিত্বে ও কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য মো: ইসরাফিল আলম। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: হারুন-অর-রশীদ, পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া পিপিএম, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হেলাল, ভাইস চেয়ারম্যান জারজিস হাসান মিঠু, ফরিদা বেগম, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ দুলু, সাধারন সম্পাদক মফিজ উদ্দিন সহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রমুখ। পরে আত্রাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন একই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন করোনা ভাইরাসের কারণে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য বাহির থেকে কোন লোক না এনে আমরা যারা ভ্যান, রিকশা, অটো চালক বর্তমানে বেকার হয়ে আছি তারা সবাই মিলে এই সংকটময় সময়ে এই ধান কাটার কাজ করতে পারি। কারণ কোন কাজকেই ছোট করে দেখা উচিত নয়। যদি আমরা বাহির থেকে শ্রমিক নিয়ে আসি তাহলে আমরা করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও সরকার জেলার যেসব উপজেলায় কৃষি ভুর্তকি দিয়ে কম্বাইন হার্ভেস্টার মিশিনগুলো দিয়েছে সেই সব উপজেলায় এখনো ধান কাটার অনেক দিন বাকি রয়েছে। তাই আত্রাই ও রাণীনগর উপজেলায় যেহেতু ধান অগ্রিম পাঁকে তাই সেই সব মেশিন ভাড়া করে এনে এই ধানগুলো কাটা যেতে পারে। এব্যাপারে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন গুরুত্বপূন্য ভ’মিকা রাখতে পারেন। এছাড়াও যে সব শ্রমিকরা বেকার হয়ে আছে তারা যদি এই কাজ করতে না চায় তাহলে তাদেরকে খাদ্য সহায়তা প্রদান না করতে স্ব স্ব ইউপি চেয়ারম্যানদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কারণ ঘরে চাল থাকলে নিজেরাই প্রয়োজনীয় সবজি উৎপাদন করে খাবার সংকট দূর করা সম্ভব। তাই সবাইকে এই দুর্যোগ মুহুর্তে কাঁধে কাঁধ রেখে ধান কেটে ঘরে তোলার প্রত্যয় নিয়ে সবাই সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। এই ধান কাটার বিষয়ে শ্রমিকরা যদি কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুশায়ারী প্রদান করা হয়। আমরা আশা রাখি যথাসময়ে ধান কৃষকদের ঘরে উঠবে এনিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই।

আরও পড়ুন...

বিএনপি জনগণের দল, জনগণই বিএনপির শক্তি

নওগাঁ প্রতিনিধি: আব্দুস সালাম বলেন, ‘বিএনপি জনগণের দল। জনগণই বিএনপির শক্তি। আওয়ামী লীগও অনেক বড় …