22 Chaitro 1431 বঙ্গাব্দ শনিবার ৫ এপ্রিল ২০২৫
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ »
Home / কৃষি সংবাদ / নওগাঁয় বিএমডিএ‘র বৃষ্টির পানি সংরক্ষন করে সেচ কার্যক্রমে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকেরা

নওগাঁয় বিএমডিএ‘র বৃষ্টির পানি সংরক্ষন করে সেচ কার্যক্রমে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকেরা

এনবিএন ডেক্সঃ নওগাঁ জেলার উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচটি উপজেলায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বৃষ্টির পানি সংরক্ষন ও সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খাস মজা পুকুর, দীঘি,খাল/খাড়ী, জলাশয় পুনঃ খনন ও খালে ক্রসড্যাম নির্মাণ করে খরা মৌসুমে সংরক্ষিত পানি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফসল আবাদ করে কৃষকেরা ব্যাপক সুফল পেতে শুরু করেছে। বিএমডিএ, নওগাঁ রিজিয়ন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এজাদুল ইসলাম জানান-মহাদেবপুর, পতœীতলা, ধামইরহাট,সাপাহার ও পোরশা উপজেলায় “বৃষ্টির পানি সংরক্ষন ও সেচ প্রকল্পের আওতায় ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ৮ টি  খাস মজা পুকুর/দীঘি, ১২ কিলোমিটার খাস খাল/খাড়ী পুনঃ খনন এবং খালে ৫ টি সাবমার্জড ওয়্যার নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান-বিএমডিএ বর্তমানে সেচকাজে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে ভূ-পরিস্থ পানি ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য আত্রাই নদী ও জবাই বিলে ২০ টি এলএলপি স্থাপন করে এ বছর প্রায় ৮২০ হেক্টর জমিতে সেচ প্রদান করে বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসল আবাদ করা হয়েছে এবং আরও ২৫টি এলএলপি স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে-যা আগামী বছরে সেচকাজে ব্যবহার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে সংরক্ষিত  ভূ-্উপরিস্থ পানি দ্বারা খরা মৌসুমে অনাবাদি জমিতে সেচ দিয়ে ধান, গম, ভূট্টা,সরিষা, তরমুজ, আলু, রসুন, পিঁয়াজ, শাকশব্জি ইত্যাদি ফসল আবাদ করে ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন এই অঞ্চলের কৃষকেরা। ঠাঁঠাঁ বরেন্দ্র ভূমি হওয়ায় জেলার পোরশা, সাপাহার ও পতœীতলার পশ্চিমাঞ্চলে যেখানে গভীর নলকূপ ও অগভীর নলকূপ বসানো সম্ভব হয়না সেখানে বিএমডিএ‘র বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও সেচ কার্যক্রম কৃষকের ফসলে সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। অত্র এলাকার মাটির স্তর খরা মৌসুমে ২/৩ ফুট শক্ত থাকে। তার পরের স্তর প্লাষ্টিক কাঁদা মাটি বলে এলাকায় পুকুর, দীঘি ও খাল জনবল দিয়ে পুনঃ খনন করা সম্ভব হয়না। তাই খনন কাজে নির্ভর করতে হয় এক্সক্যাভেটর মেশিনের উপর। এ মেশিন দিয়ে পুকুর, খাল/খাড়ী পুনঃ খনন করা দ্রুত সম্ভব হচ্ছে। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বৃষ্টির পানি সংরক্ষন ও সেচ প্রকল্পের আওতায় পতœীতলা উপজেলার বনগ্রাম দীঘি খনন করে ঐ এলাকার বসবাসরত সাধারণ মানুষের চাষাবাদ ছাড়াও সাংসারিক কাজে গবাদি পশু ধোয়া থেকে অনেক কাজে পানি ব্যবহার করছেন। বরেন্দ্র কতৃপক্ষ কর্তৃক পুনঃ খননকৃত পোরশা উপজেলার কুসুমকুন্ডা জলাধারে (৫০ বিঘা) সংরক্ষিত ভূ-পরিস্থ পানি দ্বারা সেখানকার ৪০০ টি আদিবাসী পরিবারের ২৫০০ জন মানুষের প্রায় ৭৫০ বিঘা জমিতে ফসল আবাদের জন্য সেচ প্রদান করা যাবে। সংরক্ষিত ঐ জলাশয়ের পানি ব্যবহারের সুবিধা দ্বারা দরিদ্র আদিবাসীদের ভাগ্য উন্নয়ন হবে।

আরও পড়ুন...

নওগাঁর রাণীনগরে অভিযানে কারেন্ট-রিং জাল জব্দ ॥ জরিমানা আদায়

এনবিএন ডেক্সঃ নওগাঁর রাণীনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ কারেন্ট ও রিং জাল দিয়ে …