এনবিএন ডেক্স:
মরিচ চাষ করে ভাগ্য বদলে গেছে ঠাকুরগাঁও জেলার অনেক কৃষকের। মসলা জাতীয় অন্য যেকোন ফসলের চেয়ে অল্প খরচে মরিচ চাষ করে কৃষক বেশি মুনাফা পাওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের চাষিরা বেশ খুশি। চলতি মৌসুমে মরিচের বাম্পার ফলন হওয়ায় আরো বেশি মরিচ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এ অঞ্চলের কৃষক।

ফলে জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় ঠাকুরগাঁওয়ের মরিচ বাজারজাত করে বিপুল অংকের অর্থ উপার্জনে আশাবাদী কৃষকরা। উত্তারাঞ্চলের সবচেয়ে বড় মরিচের হাট ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভাউলার হাট। সপ্তাহে দুইদিন ভোর ৪টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত এই হাটে মরিচ কেনার করার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা আসেন। পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই মরিচ নিয়ে যাওয়া হয়।
মরিচ ব্যবসায়ী ইলিয়াস আলী জানান, এ জেলার মরিচ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। এই মরিচের গুণগত মান খুবই ভালো। কৃষকরা দামও ভালো পাচ্ছে। মরিচ আবাদ করে এই এলাকার অনেক কৃষকের ভাগ্য বদলে গিয়েছে।
জেলার প্রায় সব
এলাকায় কমবেশি মসলাজাতীয় ফসল চাষ হলেও সদর উপজেলার রায়পুর, নারগুন, জামালপুর এলাকায় মরিচসহ যাবতীয় তরিতরকারি এবং সকল প্রকার মসলাজাতীয় ফসল খুব ভাল জন্মে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় উন্নতজাতের বীজ, সার, কীটনাশক এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ।
মরিচ চাষি সাদেকুল, ইসমাইল জানান, কয়েক বছর আগে যে জমিতে অন্যান্য ফসল আবাদ করে ১০ হাজার টাকাও আয় করা যেত না, সে জমিতে বর্তমানে মরিচসহ অন্যান্য মসলাজাতীয় ফসল চাষ করে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করে প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব হচ্ছে। পরিশ্রমও অনেক কম।
আকবর আলী মুন্সি জানান, মরিচ বীজ রোপণের ৪৫ থেকে ৫৫ দিনের মধ্যে মরিচ তোলা যায়। প্রতি একর মরিচ আবাদে খরচ হয় ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা। প্রতি বিঘা জমিতে মোট খরচ বাদে প্রায় ৪০ হাজার টাকা আয় হয়। এতে ঝুঁকিও কম।
চাষি আমীর উদ্দিন জানান, কৃষি বিভাগ থেকে যথাসময়ে চাষাবাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কৃষি উপকরণ নিশ্চিত করা হলে কৃষকরা আরো অধিক লাভবান হতে পারবেন।
জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কমল কুমার সরকার জানান, এবার ১ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হচ্ছে। এখানকার কৃষক কাঁচা মরিচের সাথে সাথে পাকা মরিচ তুলে শুকিয়ে বাজার জাত করে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই এলাকার মরিচ যায়। জমিগুলো উঁচু এবং বেলে-দোঁআশ মাটির হওয়ায় মরিচ চাষ খুব ভাল হয় এবং কৃষক লাভবান হয়। কৃষি বিভাগের পরামর্শে আগামীতে আরও ভালো ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদী।
মরিচ ব্যবসায়ী ইলিয়াস আলী জানান, এ জেলার মরিচ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। এই মরিচের গুণগত মান খুবই ভালো। কৃষকরা দামও ভালো পাচ্ছে। মরিচ আবাদ করে এই এলাকার অনেক কৃষকের ভাগ্য বদলে গিয়েছে।
জেলার প্রায় সব
এলাকায় কমবেশি মসলাজাতীয় ফসল চাষ হলেও সদর উপজেলার রায়পুর, নারগুন, জামালপুর এলাকায় মরিচসহ যাবতীয় তরিতরকারি এবং সকল প্রকার মসলাজাতীয় ফসল খুব ভাল জন্মে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় উন্নতজাতের বীজ, সার, কীটনাশক এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ।
মরিচ চাষি সাদেকুল, ইসমাইল জানান, কয়েক বছর আগে যে জমিতে অন্যান্য ফসল আবাদ করে ১০ হাজার টাকাও আয় করা যেত না, সে জমিতে বর্তমানে মরিচসহ অন্যান্য মসলাজাতীয় ফসল চাষ করে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করে প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব হচ্ছে। পরিশ্রমও অনেক কম।
আকবর আলী মুন্সি জানান, মরিচ বীজ রোপণের ৪৫ থেকে ৫৫ দিনের মধ্যে মরিচ তোলা যায়। প্রতি একর মরিচ আবাদে খরচ হয় ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা। প্রতি বিঘা জমিতে মোট খরচ বাদে প্রায় ৪০ হাজার টাকা আয় হয়। এতে ঝুঁকিও কম।
চাষি আমীর উদ্দিন জানান, কৃষি বিভাগ থেকে যথাসময়ে চাষাবাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কৃষি উপকরণ নিশ্চিত করা হলে কৃষকরা আরো অধিক লাভবান হতে পারবেন।
জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কমল কুমার সরকার জানান, এবার ১ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হচ্ছে। এখানকার কৃষক কাঁচা মরিচের সাথে সাথে পাকা মরিচ তুলে শুকিয়ে বাজার জাত করে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই এলাকার মরিচ যায়। জমিগুলো উঁচু এবং বেলে-দোঁআশ মাটির হওয়ায় মরিচ চাষ খুব ভাল হয় এবং কৃষক লাভবান হয়। কৃষি বিভাগের পরামর্শে আগামীতে আরও ভালো ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদী।