এনবিএন ডেক্সঃ
ব্রাজিলের খ্যাতি ফুটবল আর সাম্বায়। ব্রাজিলীয়ানরা এই দুই ক্ষেত্রেই সেরা। সেরা বললে ভুল বলা হবে, তারা সর্বসেরা। বিশ্বসেরা। সর্বাধিক ৫ বার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব তাদের। পেলে-রোনালন্ডো-নেইমারের দেশটিকে বলা হয় ফুটবলের দেশ। সেই ব্রাজিলেই ফিরেছে বিশ্বকাপ। আজকের দিন বাদে কাল বৃহস্পতিবার শুরু হবে ফুটবলের মহাযজ্ঞ। অবশ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে যখন মাঠে গড়াবে ফুটবল, তখন বাংলাদেশের জন্য শুক্রবার। বেশ রাত, অর্থাৎ রাত ২টায় শুরু হবে ফুটবল যুদ্ধ। ‘গ্রেট শো অন আর্থ’- এর জন্য প্রস্তুত ব্রাজিল। প্রস্তুত ৩২টি দল। সাথে সারা বিশ্ব। এক কথায় ফুটবল জ্বরে ভুগছে বাংলাদেশ তথা বিশ্ব। সবার দৃষ্টি এখন ব্রাজিলে। সাম্বার তালে এবার ফুটবল। বেশ জমবে বলে প্রত্যাশা অনেকের। তবে এর মধ্যে শঙ্কাও অনেকের মনে। ব্রাজিলের ফুটবল ক্ষমতা নিয়ে কারো দ্বিমত নেই। তবে আয়োজক ব্রাজিল? একটা বড় প্রশ্নই।

এখনো ১২টি ভেন্যুর কয়েকটি শতভাগ প্রস্তুত নয়। রয়েছে আরও ঝামেলা। যার অন্যতম হচ্ছে নিজ দেশেই বিক্ষোভের মুখে ব্রাজিল।
পুরো বিশ্ব তাকিয়ে আছে ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিকে। অথচ তার প্রস্তুতির আগ মুহূর্তেও আয়োজক দেশ ব্রাজিলে চলছে মেট্রো শ্রমিকদের বিক্ষোভ। আন্দোলনরত শ্রমিকরা আজ পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। শ্রমিক নেতারা বলছেন, সরকার আমাদের সাথে আলোচনা না করেই এই আন্দোলনকে সন্ত্রাসী কর্মকা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই যে, আমাদের দাবি না মানলে আন্দোলন চলবে।
প্রসঙ্গত, সমপ্রতি কয়েকদিন ধরে ব্রাজিলের সাও পাওলো মেট্রো বিভাগের শ্রমিকরা তাদের বেতন ১২.২ শতাংশ বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করছে। তাই দেশটির সরকার বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যাপক দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে। আর বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীরা আশঙ্কা করছেন অনুষ্ঠান ব্যাহত হওয়ার।
যদিও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রোসেফ জানিয়েছেন, তিনি বিশ্বকাপকে বিঘি্নত করে এমন সহিংসতা মেনে নেবেন না।
শঙ্কা-আশঙ্কা যাই হোক- এ সব বেশি গুরুত্ব দিতে নারাজ ফুটবলপ্রেমীরা। চার বছর পর আবার বিশ্বকাপ। রাত জেগে ‘বিশ্বকাপ জোয়ারে’ নিজেদের ভাসিয়ে দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশও। ঘরে ঘরে বিশ্বকাপের আয়োজন। প্রিয় দলের পতাকা আর জার্সি গায়ে ফুটবল উন্মাদনা টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত। বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা মূলত ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনায় বিভক্ত। ব্রাজিল এবার স্বাগতিক। আর বরাবরের মত হট ফেবারিট ম্যারাডোনা-মেসির দেশ আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের তৃতীয় শিরোপা ঘরে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ইতিমধ্যে শত্রুর দেশ ব্রাজিলে পেঁৗছে গেছে আর্জেন্টাইন ফুটবল দল। পাশাপাশি দেশ হওয়াতে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার কন্ডিশন প্রায় একই। তাই আগে এসে কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেয়ার দরকার ছিল না মেসিদের। এ কারণেই হয়তো একটু দেরিতেই ব্রাজিলে পা রাখলো আর্জেন্টাইন দল। বুয়েন্স আয়ার্স থেকে ব্রাজিলে রওনা দেয়ার আগে দলকে শুভ কামনা জানাতে জড়ো হয়েছিল শত শত আর্জেন্টাইন সমর্থক। আর গতকাল ব্রাজিলে পেঁৗছেও শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন মেসিরা। ব্রাজিলে ‘স্বাগতম ভবিষ্যৎ চ্যাম্পিয়নরা’- এই বলে আর্জেন্টাইন দলকে গ্রহণ করা হয়েছে। আর ফুটবলপ্রেমীরা ‘স্বাগত’ জানিয়েছে বিশ্বকাপকে। তাদের দৃষ্টি ব্রাজিলে। যা পুরো এক মাস ধরে স্থির থাকবে। জয়তু ফুটবল। স্বাগত বিশ্বকাপ।
পুরো বিশ্ব তাকিয়ে আছে ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিকে। অথচ তার প্রস্তুতির আগ মুহূর্তেও আয়োজক দেশ ব্রাজিলে চলছে মেট্রো শ্রমিকদের বিক্ষোভ। আন্দোলনরত শ্রমিকরা আজ পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। শ্রমিক নেতারা বলছেন, সরকার আমাদের সাথে আলোচনা না করেই এই আন্দোলনকে সন্ত্রাসী কর্মকা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই যে, আমাদের দাবি না মানলে আন্দোলন চলবে।
প্রসঙ্গত, সমপ্রতি কয়েকদিন ধরে ব্রাজিলের সাও পাওলো মেট্রো বিভাগের শ্রমিকরা তাদের বেতন ১২.২ শতাংশ বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করছে। তাই দেশটির সরকার বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যাপক দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে। আর বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীরা আশঙ্কা করছেন অনুষ্ঠান ব্যাহত হওয়ার।
যদিও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রোসেফ জানিয়েছেন, তিনি বিশ্বকাপকে বিঘি্নত করে এমন সহিংসতা মেনে নেবেন না।
শঙ্কা-আশঙ্কা যাই হোক- এ সব বেশি গুরুত্ব দিতে নারাজ ফুটবলপ্রেমীরা। চার বছর পর আবার বিশ্বকাপ। রাত জেগে ‘বিশ্বকাপ জোয়ারে’ নিজেদের ভাসিয়ে দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশও। ঘরে ঘরে বিশ্বকাপের আয়োজন। প্রিয় দলের পতাকা আর জার্সি গায়ে ফুটবল উন্মাদনা টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত। বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা মূলত ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনায় বিভক্ত। ব্রাজিল এবার স্বাগতিক। আর বরাবরের মত হট ফেবারিট ম্যারাডোনা-মেসির দেশ আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের তৃতীয় শিরোপা ঘরে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ইতিমধ্যে শত্রুর দেশ ব্রাজিলে পেঁৗছে গেছে আর্জেন্টাইন ফুটবল দল। পাশাপাশি দেশ হওয়াতে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার কন্ডিশন প্রায় একই। তাই আগে এসে কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেয়ার দরকার ছিল না মেসিদের। এ কারণেই হয়তো একটু দেরিতেই ব্রাজিলে পা রাখলো আর্জেন্টাইন দল। বুয়েন্স আয়ার্স থেকে ব্রাজিলে রওনা দেয়ার আগে দলকে শুভ কামনা জানাতে জড়ো হয়েছিল শত শত আর্জেন্টাইন সমর্থক। আর গতকাল ব্রাজিলে পেঁৗছেও শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন মেসিরা। ব্রাজিলে ‘স্বাগতম ভবিষ্যৎ চ্যাম্পিয়নরা’- এই বলে আর্জেন্টাইন দলকে গ্রহণ করা হয়েছে। আর ফুটবলপ্রেমীরা ‘স্বাগত’ জানিয়েছে বিশ্বকাপকে। তাদের দৃষ্টি ব্রাজিলে। যা পুরো এক মাস ধরে স্থির থাকবে। জয়তু ফুটবল। স্বাগত বিশ্বকাপ।