21 Chaitro 1431 বঙ্গাব্দ শনিবার ৫ এপ্রিল ২০২৫
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ »
Home / ক্রাইম নিউজ / আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে মঠবাড়িয়ায় ভূমিদস্যু কর্তৃক গভীর রাতে জমি দখল

আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে মঠবাড়িয়ায় ভূমিদস্যু কর্তৃক গভীর রাতে জমি দখল

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায় ভূমিদস্যু কর্তৃক গভীর রাতে উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নূরুজ্জামান লিটন’র জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগে জানা যায়,গত ২৫/৩০ বছর পূর্বে পৌর সভার ৫নং ওয়ার্ডের মৃতঃ রাম চন্দ্র মাল’র ছেলে জিতেন্দ্র মাল, কানাই মাল, বঙ্কিম মাল ও সতিশ মাল’র নিকট থেকে উপজেলার গুলিসাখালি গ্রমের মৃতঃ সামাদ তালুকদারের ছেলে মোস্তফা কামাল ৭১ শতাংশ জমি ক্রয় করে বসবাস করে আসছেন। পরে মোস্তফা কামাল এলাকার বাহিরে থাকার কারনে তার নিকট আত্মীয় উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নূরুজ্জামান লিটন কে গত ১৩/৫/১২ ইং তারিখে জমি ও ঘর-বাড়ি দেখা শুনা করার পাওয়ার দেন।লিটন জানান,পৌর শহরের ৫নং ওয়ার্ডের (হোল্ডিং নং-ম প-০২০১৭) জমির নিয়মিত পৌর কর সহ সরকারি ভূমি খাজনা, বিদ্যুৎ বিল (মিটার নং-৩১১৭০৩) পরিশোধ করে আসছেন। আমমোক্তার ক্ষমতাবলে লিটন ওই জমির মালিক। তিনি অভিযোগ করেন একটি বিশেষ মহল ওই জমি দখলের পায়তারা করলে গত ২৭/৪/১২ ইং তারিখ তিনি মঠবাড়িয়া থানায় সাধারণ ডায়রী (নং-১২৮৩/১২) করেন। এরপর তিনি অবৈধ দখলদার পৌর ৫নং ওয়ার্ডের মৃতঃ ওহাব আলির ছেলে মাসুম বিল্লাহকে বিবাদী করে মঠবাড়িয়া পৌর মেয়র বরাবরে অভিযোগ দাখিল করেন এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গত ১৬/৫/১২ ইং তারিখে পিরোজপুর জেলা যুগ্ম জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা (নং-১৭/১২)করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়া ওই জমির উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেন ও মাসুম বিল্লাহকে শোকাজ করেন। এতে ভূমিদস্যু মাসুম ক্ষিপ্ত হইয়া আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে ১৮/৫/১২ ইং তারিখ শুক্রবার গভীর রাতে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়া দেশীয় অস্ত্রসাজে সাজ্জিত হইয়া ওই জমিতে প্রবেশ করে ও মূহুর্তের মধ্যে ঘর উত্তোলন করে। এসময় পুরো এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পরে। লিটনের প্রশ্ন মাসুমের খুটির জোর কোথায় ? কোন অপশক্তির বলে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে রাতের আধারে জমি দখল করে ও ঘর তোলে ? এ ঘটনার পর ১৯/৫/১২ ইং তারিখ শনিবার লিটন মাসুমকে বিবাদী করে মঠবাড়িয়া থানায় আরো একটি সাধারণ ডায়রী (নং-১০০৭/১২) করেন।লিটন আরো অবিযোগ করেন তারা (মাসুম গং) এক ভাই আওয়ামীলীগ এক ভাই বিএনপি আরেক জন অন্য দল করেন ও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করেন। তার বড় ভাই সাবেক কাউন্সিলর মিজান আওয়ামী সমার্থিত তাই সরকার দলীয় নেতা কর্মিদের ভুল বুঝিয়ে ফয়দা লুঠে যাচ্ছে। যার কারনে মহাজোট সরকারের বদনাম হচ্ছে। তারা এলাকার নিরীহ লোকদের জমি দখল করে কোটিপতি বনে গেছে। তারা এতোটাই প্রভাবশালী যে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। তাছাড়া এ ঘটনায় স’ানীয় সংরক্ষিত কাউন্সিলর সালেহা ইসলামের সাথে সমন্বয় করে ভূয়া ওয়ারিশ বানিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ভূয়া দলিল তৈরী করেছে। সেখানে কাউন্সিলর সালেহা ইসলাম জন্ম নিবন্ধন পত্র ২৯/৩/১২ ও ওয়ারিশপত্র প্রদান করেন ১৭/৫/১২ ইং তারিখে। তিনি যে নামের পরিচয়পত্র প্রদান করেন, তাদের নাম ২০০৮ সালের ভোটার তালিকায় নাম পাওয়া যায়নি এবং তাদের কোন অস্তিত্ব নেই বলে লিটন দাবী করেন।

আরও পড়ুন...

নওগাঁয় তরুণকে অপহরণ চেষ্টা, আটক ২

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর মান্দায় এক তরুণকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন দুই …