22 Chaitro 1431 বঙ্গাব্দ শনিবার ৫ এপ্রিল ২০২৫
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ »
Home / কৃষি সংবাদ / সরকারী মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের দাবী নওগাঁয় ইরি-বোরোর বাম্পার ফলন দাম না পাওয়ায় কৃষক হতাশ

সরকারী মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের দাবী নওগাঁয় ইরি-বোরোর বাম্পার ফলন দাম না পাওয়ায় কৃষক হতাশ

এনবিএন ডেক্সঃ শস্য ভান্ডার হিসাবে খ্যাত নওগাঁয় চলতি মৌসুমের ইরি-বোরো ধান কাটা মাড়াই শেষের দিকে। জেলার কৃষক-কৃষাণী ও ক্ষেত মজুররা এখন ধান কাটা মাড়াই নিয়ে ব্যস- সময় অতিবাহিত করছেন। মৌসুমের শুরুতে বীজ সংকট, বিদ্যুতের লোডশেডিং স্বত্ত্বেও সময় মতো সার ও কীটনাশক সরবরাহ পাবার কারণে ও বছর ইরি-বোরো বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা। তবে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় জেলার কৃষকরা ধান-চালের সরকারী ক্রয় মূল্য বাড়ানোর দাবী করেছেন পাশাপাশি সরকারী মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের দাবী চাষীদের । চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের শুরুতে প্রচন্ড ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা ও প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে জেলার অনেক বীজতলা কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। এ অবস্থায় কৃষকরা অদিক মূল্যে চারা বীজ ক্রয় করে বোরো রোপণ করেন। জেলায় কৃষ ভর্তুকির টাকা অধিকাংশ কৃষকের হাতে সময়মত না পৌছালেও এ বছর জেলায় কোন সার সংকট ছিল না। প্রচন্ড খরা সত্ত্বতেও খুব একটা পানি সংকটেও পড়েনি ইরি-বোরো ফসল। ফলে গত বছরের তুলনায় বীজ ও সেচ সংকট মোকাবেলা করে আশাতীত ফসল ফলিয়েছেন কৃষকরা। কৃষকরা আশা করছেন এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হবে। গত বছর ১ বিঘা জমিতে ১৮ থেকে ২০ মন ধান পাওয়া গেলেও এ বছর ১ বিঘা জমিতে পাওয়া যাচ্ছে ২৫ থেকে ২৮ মন ধান। জেলার হাট-বাজার গুলোতে সদ্য ওঠা ধান বিক্রি হচ্ছে ৫শ টাকা মন দরে। তবে এতে সন’ষ্ট নন কৃষকরা। সরকারী ভাবে প্রতিকেজি ধান ১৭ টাকা অর্থাৎ ৬৪০ টাকা মন এবং চাল প্রতিকেজি ২৮ টাকা অর্থাৎ ১ হাজার টাকা মণ নির্ধারণ করা হলেও এতে পুরু পুরী খুশি নন এলাকার কৃষকরা। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের দাবী ধানের মূল্য কমপক্ষে ৭শ থেকে সাড়ে ৭শ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। একই ভাবে চালের মূল্য ও বৃদ্ধির দাবী জানান কৃষকরা। মহাদেবপুর উপজেলার ঈশ্বরপুর গ্রামের কৃষক সরদার আলতাফ হোসেন, মাসুদ রানা, বাজিতপুর গ্রামের জিল্লুর রহমান, এ,জে মিন্টু, মাতাজী হাটের রায়হান আলম, রফিকুল ইসলাম জানান, সরকারী ভাবে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যে যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় এতে কৃষকদের কোন লাভ থাকবে না। কৃষকদের বাঁচাতে হলে সরকারী ক্রয় মূল্য অবশ্যই বাড়াতে হবে। উল্লেখ্য, এবার নওগাঁ জেলার ১১ উপজেলায় ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮৪৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ করা হয়েছে। এতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ৭ লাখ ৬৯ হাজার ৫৯৮ মেঃ টন। নওগাঁ কৃষি অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ শেখ আহমদ রেজা জানিয়েছেন, এ বছর সময়মত সার কিটনাশক সরবরাহ করায় এবং ইরি-বারো জমি খুব একটা সেচ সংকটে পতিত না হওয়ায় আমরা আশা করছি কোনরূপ প্রাকৃতিক দুর্যোগের স্বীকার না হলে জেলায় এবারে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অধিক অর্থাৎ ইর-বোরোর বাম্পার ফলন হবে বলেও তিনি জানান।#

আরও পড়ুন...

নওগাঁর রাণীনগরে অভিযানে কারেন্ট-রিং জাল জব্দ ॥ জরিমানা আদায়

এনবিএন ডেক্সঃ নওগাঁর রাণীনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ কারেন্ট ও রিং জাল দিয়ে …