পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় যাত্রা ও সার্কাসের নামে যা চলছে তা রীতিমত ভয়ানক কাণ্ড।
ভাণ্ডারিয়া বিহারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ব্যানারে মাসব্যপি যাত্রা ও সার্কাস গত মঙ্গল বার থেকে শুরু হয়েছে। এস এস সি ও দাখিল পরীক্ষার পূর্বে মাসব্যপি এ ধরণের সর্বনাশা বিনোদন মূলক অনুষ্ঠানের জন্য পরীক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশংকায় অভিভাবক মহল বেশ উৎবিগ্ন থাকলেও উদ্যোক্তাদের তাতে কর্নপাত করার সময় নাই। আওয়ামীলীগ নেতা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও দলীয় বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত ভাণ্ডারিয়া বিহারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি খান এনায়েত করিম প্রভাব বিস-ার করে এ বিদ্যালয়ের দুটি রুমকে সার্কাস ও অশ্লিলতায় ভরপুর নামক যাত্রার টিকেট কাউন্টার হিসেবে ব্যাবহার করছেন।এর চেয়েও আশ্চাযের ব্যাপার হল ঐ স্কুলের শিক্ষকরাই এই রুমেই বসে এ বেহায়াপনার টিকেট বিক্রি করছে এলাকার ছোট বড় সহ তার ছাত্রদের কাছে। গত বৃহাস্পতি বার রাত্রে অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে দেখাযায় ঐস্কুলের সহকারী শিক্ষক(বিজ্ঞান)বাবু সঞ্জীব কুমার স্কুল রুমে বসেই বিভিন্ন বয়সের মানুষের কাছে টিকেট বিক্রি করছে। এ ব্যাপারে সচেতন মহলের প্রশ্ন
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী যেখানে শিক্ষকদেরকে প্রাইবেট ও কোচিং না করানোর জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন সেখানে একজন শিক্ষক হয়ে কোন বিবিকের বশবর্তী কয়ে তিনি এহেন কাজটি করছেন। এ প্রসঙ্গে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক শংকর দাশের সাথে ফোনে যোগাযোগর চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। একই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা কাজী মাহবুবুর রশীদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আপনি লিখিত অভিযোগ করেন তা হলে আমরা ব্যবস্থা নিব আর লিখিত না দিলে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব নয়।
Home / সারাদেশ / বরিশাল / ভাণ্ডারিয়ার যাত্রা সার্কাসের চালচিত্র স্কুল কক্ষকে করা হয়েছে টিকেট রুম শিক্ষকরা হচ্ছেন টিকেট মাস্টার
আরও পড়ুন...
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পরে অসুস’ ২
পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ পিরোজপুর থেকে ভাণ্ডারিয়া আসার পথে অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের খপ্পরে পরে অসুস’ হয়েছে ২জন। …