পিরোজপুর জেলা রেজিষ্ট্রার অফিসের টি.সি সহকারী অঞ্জন কুমার দাস মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অবৈধ ভাবে পুনঃবহাল হয়ে দূর্নীতিকে ওপেন চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছে! তাহার গচ্ছা যাওয়া টাকা কামানোর জন্য এমন কোন অপকর্ম নাই যাহা তিনি করেন না। কম্পিউটার চুরি করে ধরা পড়ে বরখাস- হয়েও টাকার বিনিময়ে পার পেয়ে যাওয়ায় তাহার সাহস ও শক্তি দ্বিগুন মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। কম্পিউটার চুরির তদন্ত কারী কর্মকর্তা ভান্ডারিয়ার সাব রেজিষ্ট্রার ও বরখাসে-র আদেশ দানকারী তৎকালীন জেলা রেজিষ্ট্রার কে যা তা ভাষায় গালি গালাস করে এবং বলে বেরাচ্ছে উহার চেয়ে বড় কিছু করলেও তার টিকিটুকুও নাকি ধরতে পারবে না। কারন এখন থেকে নাকি নিখুত ভাবে কাজ চালিয়ে যাবে। তিনি একজন টি.সি শাখার কর্মচারী হয়েও অগোষিত ভাবে ডি.আর অফিসের সব কাজ নিজের করায়ত্বে নিয়ে নিয়েছেন। প্রধান সহকারী, অফিস সহকারী অসহায়ের মত চেয়ে থাকে। রেজিষ্ট্রি অফিসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভূক্ত ভোগী একাধিক কর্মচারী জানিয়েছে বর্তমানে ডি.আর অফিসের মস-কর্তা অঞ্জনের কম্পিউটার চুরির অভিযোগ তদনে- সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানীত হইলে তাহাকে বরখাস- করা হয়। কিন’ ধুর্ত অঞ্জন আই,জি,আর অফিসের সাবেক বরখাস-কৃত টি.সি কর্মচারী শামসুল আলম লালনের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করিতে সক্ষম হয় এবং তারপর থেকেই টাকা উঠানোর জন্য বিভিন্ন অবৈধ পন্থা অবলম্বন করে কর্মচারীদের হয়রানী করে টাকা আদায়ে বানিজ্যে নামে। কর্মচারীদের নামে মিথ্যা ভূয়া অভিযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ব্ল্যাক মেইল করে টাকা আদায় করে। পিরোজপুর সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের নকল নবীশ সুমী আক্তারের নামে ভূয়া অভিযোগের মাধ্যমে ব্ল্যাক মেইল করে ধরা পড়ে হাতে পায়ে ধরে মুসলেকা দিয়ে রেহাই পায় । অফিসের গোপন নথী পাচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। রেকর্ডের দৈনিক মজুরী ভিত্তিক পিয়ন প্রভাষ চন্দ্র ডাকুয়া(পলুর)সাথে যোগসাজসে মহাফেজ খানার নথী পাচার করে এবং বিভিন্ন ভাবে অল্টার করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ফলে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। পক্ষদের নিকট হইতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নাজিরপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের ১৯৮৯ সনের ২৫ নং বালামে গরম চা ঢেলে দিয়ে লেখা নষ্ট করে ফেলেছে। স্বরুপকাঠী সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের ১৯৮৪ সনের এস এ অক্ষরের এবং ১৯৯৪ সনের বি এ অক্ষরের সূচী বহিতে এবং ইন্দুরকানী অফিসের ২০০৬ সনের ২৯ নং বালামের ৬৮ নং পৃষ্ঠায় অল্টার করিয়াছে। যাহা তদন- করিলেই সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হবে। পিরোজপুর বাসীর একটাই দাবী তাহাকে অন্যত্র দূরবর্তী জেলায় বদলী করে ভিন্ন জেলার কোন কর্মকর্তাকে দিয়ে নিরপেক্ষ তদন- করা হোক। অনুসন্ধানে জানা গেছে অফিসের নতুন ভবন উদ্ভোধনের পর নকল নবীশ নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে বেকার ছেলে মেয়েদের নিকট থেকে কয়েক লক্ষ্য টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। রেজিষ্ট্রি অফিস এমনিতেই দূরনর্ীতির আখড়া! অঞ্জনের দূর্নীতিকে এভাবে প্রশ্রয় দিলে রেজিষ্ট্রেশন বিভাগের কর্মকর্তাদের ন্যয় নীতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। সরকারী কর্মচারী শৃংঙ্খলা ও আপীল বিধি অনুযায়ী যেখানে তাহার আপীল করার অধিকারই জম্নায় নাই সেখানে কিষের বিনিময়ে তাহার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়! তাহাকে অতী শীঘ্রই দূরবর্তী জেলায় বদলী না করা হইলে পিরোজপুর জেলায় রেজিষ্ট্রেশন বিভাগে বিস্ফোরন ঘটিবে। যাহা কেহই রক্ষা করতে পারবে না। পিরোজপুরে একই কর্মস’লে ৪/৫ বছর যাবৎ কর্মরত থাকায় তাহার রন্ধে রন্ধে দূর্নীতি প্রবেশ করিয়াছে এবং দিনকে দিন বেপরোয়া হইয়া গিয়াছে। ৩ বছরের বেশী এক স’লে থাকার নিয়ম নাই। তদুপরি কম্পিউটার অপারেটরদের মত বদলীর বিষয়ে হাইকোর্টে কোন স’গিতাদেশও নাই। রেজিষ্ট্রি অফিসের ঐতিহ্য রক্ষার্থে এবং আত্ম স্বীকৃত অপরাধীকে সামান্যতম শ্বাসি’ বিধানের লক্ষ্যে তাহাকে অন্যত্র বদলী করা একান্ত প্রয়োজন। তাছাড়া তাহাকে বদলী না করিলে তদনে- প্রভাব বিস-ার করিবে এবং দূর্নীতির মাত্রা আরও একধাব এগিয়ে যাবে বলে ভূক্তভোগীরা জানিয়েছে। টি.সি.শাখার আনুষাঙ্গিক খাতের টাকা ভূয়া ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ এবং কম্পিউটার চুরির অপরাধসহ তাহার পাহাড়সম দূর্নীতির চিত্র দৈনিক যুগান-র পত্রিকায় ৭/১০/১০ ও ১০/১১/১০ ইং তারিখে,দৈনিক আজকের বার্তায় ২/১০/১০ ইং তারিখে এবং দৈনিক পিরোজপুরের কথা পত্রিকায় ৮/১১/১০ ও ৮/১০/১১ ইং তারিখে প্রকাশিত হইলেও রহস্য জনক কারনে কর্তৃপক্ষ নিরব ভূমিকা পালন করিতেছে। ফলে স’ানীয় জনমনে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হইতেছে। এতকিছুর পরেও যদি দূর্নীতিবাজ,ঘুষখোর, সরকারী কম্পিউটার চোর, সরকারী অর্থ আত্মসাৎকারী লম্পট অঞ্জনকে পিরোজপুর হইতে অন্যত্র বদলী না করা হয় তাহা হলে পিরোজপুরের সচেতন জনসাধারণ এই সরকারের উপর তথা রেজিষ্ট্রেশন বিভাগের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের উপর আস্থা রাখিতে পারিতেছে না। একজন আই.জি.আর তহবিলের কর্মচারী শুধু ঐ দূর্নীতিবাজ টি.সি সহকারী অঞ্জনের জন্য পিরোজপুর জেলার সাধারণ জনগণের নিকট বর্তমান সরকার ও রেজিষ্ট্রেশন বিভাগের ভাব মূর্তি চরম ভাবে ক্ষুন্ন হইতেছে। স্থানীয় জনসাধারণের মনে একটাই প্রশ্ন অঞ্জনের খুটির জোর কোথায়! স’ানীয় সংসদ সদস্য সাহেবও ঐ দূর্নীতিবাজ টি.সি সহকারী অঞ্জনকে প্রশ্রয় দেয় নাই বা তাহার পক্ষে কোন সুপারিশও করে নাই। তাহলে তার অদৃশ্য শক্তির উৎস কি!
Home / সারাদেশ / বরিশাল / পিরোজপুর অবৈধ ভাবে পুনঃবহাল হওয়া জেলা রেজিষ্ট্রার সহকারী অঞ্জন কুমার দাস দূর্নীতিকে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়েছে!
আরও পড়ুন...
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পরে অসুস’ ২
পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ পিরোজপুর থেকে ভাণ্ডারিয়া আসার পথে অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের খপ্পরে পরে অসুস’ হয়েছে ২জন। …