এনবিএন ডেক্স: নওগাঁর পত্নীতলায় আমন ক্ষেতে মাঝরা পোকা ও বাদামী গাছ ফড়িংয়ের (কারেন্ট পোকা) আক্রমণ প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। এদিকে কীটনাশক ব্যবহারেও কাজ না হওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। পোকা দমনে তাদের ব্যয় করতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। কয়েকজন কৃষক অভিযোগে জানান, উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের প্রায় সর্বত্রই কমবেশী এ পোকার আক্রমণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা একাধিকবার বিভিন্ন কোম্পানীর কীটনাশক ব্যবহার করেও মাঝরা পোকা নির্মূল করতে পারেননি। কীটনাশক ব্যবহারের ১০ দিনের মধ্যে আবারও ক্ষেতে পোকার আক্রমণ দেখা যাচ্ছে। উপজেলার বহবলপুর গ্রামের কৃষক বিষ্ণুপদ জানান, তাঁর ১৬ বিঘা জমিতে এবার দফায় দফায় কীটনাশক ব্যবহার করেও কোন কাজ হয়নি। এতে তিনি হতাশ হযে পড়েছেন। ছালিগ্রামের কৃষক আব্দুস সামাদ, কাশিপুর গ্রামের রমেশ চন্দ্রসহ উপজেলার পদ্মপুকুর, খিরসিন গ্রামের অনেক কৃষক একই অবস্থার শিকার হয়েছেন বলে জানান। এ কারণে কৃষকদের ব্যয় বেড়েই চলেছে। কৃষকরা জানান গত বছর পাকা আমন ক্ষেতে বাদামী গাছফড়িং বা কারেন্ট পোকার আক্রমনে তাঁরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস’ হয়েছিলেন। এ বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা কৃষি অফিসার আকতারুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মাঝরা পোকা এবং বাদামী গাছফড়িং বা কারেন্ট পোকায় আমন ক্ষেত আক্রান- হলেও এ পর্যন- নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। চাষিদের হতাশ হওয়ার কোন কারণ নেই। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গিয়ে চাষিদের নিয়ে সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে এবং তাদের সচেতন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, পত্নীতলা উপজেলায় চলতি মওসুমে ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে।
আরও পড়ুন...
নওগাঁর রাণীনগরে অভিযানে কারেন্ট-রিং জাল জব্দ ॥ জরিমানা আদায়
এনবিএন ডেক্সঃ নওগাঁর রাণীনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ কারেন্ট ও রিং জাল দিয়ে …