সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপরিভাগে ফাঁটল মেরামতে টেন্ডার হলেও মূল কাজ এখনও শুরু হয়নি। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ প্রায় সাড়ে ৩’শ কোটি টাকায় মেরামত কাজ সম্পূর্ন করার জন্য ‘চায়না কমিউনিকেশন কন্স্ট্রাকশন কোম্পানী দায়িত্ব দিয়েছে। ২০১১ সালের জুন থেকে মাত্র এক বছরে কাজটি শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা বেধেঁ দেয়া হলেও চীনা ওই কোম্পানীটি মেরামতের মূল কাজে হাত না দিয়ে মূলত তারা সেতু এলাকার পূর্ব পাড়ে মবিলাইজেশন ও তাদের বাসস্থানের কাজ করছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কোম্পানীটি শুরু থেকে এ পর্যন্ত রক্ষনাবেক্ষনকারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন দিয়ে সেতুর মাঝখানের বেরিয়ারগুলো তুলে সেগুলোর নিচে ফাঁটল আছে, কি-না তা চিহ্নিত করছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী মেরামত কাজে কার্বন-পলিমার ফাইবার দিয়ে ফাটল সিলিং করে পানিরোধক আঠালো মেমব্রেন দিয়ে প্রলেপ দেবার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া সেতুর ওপরে ৮টি জয়েন্ট এক্সপানশনও পরিবর্তন করা কথা। চলতি বছরের জুন মাসে চায়নার কোম্পানীটি দায়িত্ব পেয়ে তারা এ পর্যন্ত শুধু ফাটল চিহ্নিত ও নকশার কাজ করেছে মাত্র। এখনও মূল মেরামত কাজে তারা হাত দেয়নি। তিনি আরো জানান, সেতুর ওপরিভাগে মেরামত কাজের মূল উপকরনের শতকরা ৯৫ ভাগই যেমন ক্রাক সিলিং ম্যাটেরিয়াল, কার্বন-ফাইবার পলিমার, ওয়াটা প্রুফিং মেমব্রেন এবং ম্যাস্টিক-অ্যাসফাল্ট ইত্যাদি বিদেশ থেকে আমদানী করতে হবে। এ জন্য একটু বিলম্ব হলেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে কোম্পানীটি আশাবাদী রয়েছে। উল্লেখ্য, দক্ষিন কোরিয়ার হুন্দাই ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানী কর্তৃক বঙ্গবন্ধু সেতুটি নির্মানের পর ১৯৯৮ সালের ২৩ শে জুন চালু করা হয়। নির্মানের দশ বছরের মাথায় সেতুর উপরিভাগে বিভিন্ন আকৃতির ফাটল দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সেতুতে অপরিকল্পিতভাবে রেল-যোগাযোগের কারনে উপরিভাগে কম্পনের কারনে এ ধরনের ফাটল সৃষ্টি হয়। বর্ষা মৌসুমে ফাটল দিয়ে পানি চুইয়ে চুইয়ে মূল অব-কাঠামোর কংক্রিটের রডে মরিচা যাতে না পড়ে, সেজন্য মাঝেমধ্যে ই-পক্সি আঠা দিয়ে অস্থায়ীভাবে ফাটলগুলো সিলিং করা হয়।
আরও পড়ুন...
নওগাঁয় ৯টি ককটেল ১৫ টি সাউন্ড বোমাসহ বিপুল পরিমান জিহাদী বই উদ্ধার- ৬ শিবির নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ
এনবিএন ডেক্সঃ নওগাঁ সদরের শহরস্থ নামাজগড় মাদ্রাসা পাড়া থেকে ৯টি ককটেল, ১৫ টি সাউন্ড বোমা …