এন বি এন ডেক্সঃ নওগাঁর মহাদেবপুরে পালস্না দিয়ে চলা বিদ্যুতের লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজে ১৫০টি গভীর নলকূপের মটর পুড়ে গেছে। একই কারণে আরো শতাধিক নলকূপের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়েছে। পালস্না দিয়ে চলা লোডশেডিংয়ে নলকূপগুলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা এমনিতেই বন্ধ থাকে, এর উপর ওই নলকূপের মটর পুড়ে যাওয়া অথবা কোন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেলে সেটি বন্ধ হয়ে যায় অনির্দিষ্ট সময় পর্যনত্ম। বিদ্যুতের এহেন ঝঞ্ঝাটে চলতি মৌসুমের বোরো রড়্গা করা নিয়ে চাষীরা চরমভাবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। উপজেলার শিবগঞ্জ গ্রামের কৃষক সুইট চৌধুরী, ঝলঝলি গ্রামের কৃষক আবু বক্কর ও দাউল বারবাকপুর গ্রামের কৃষক তফিজ উদ্দিন খোকন জানান, বিদ্যুতের লাগামহীন লোডশেডিং আর লো-ভোল্টেজের কারণে জমিতে ঠিকমত সেচ দিতে না পারায় তারাসহ বোরোচাষীরা কঠিন দুশ্চিনত্মার মধ্যে রয়েছেন। এছাড়া কীটনাশক, বিদ্যুৎ ও ডিজেলসহ কৃষি উপকরণের দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধিতেও কৃষকরা মোটেও স্বসিত্মতে নেই। এভাবে মূল্যবৃদ্ধিতে বোরোর উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে বিগত বছরগুলোর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। চাষাবাদ খরচের সাথে সম্ভাব্য উৎপাদিত ধানের মূল্যের ব্যাপক কমতি থাকায় বাধ্য হয়ে অনেক কৃষক এ সময়টাতে বোরোর বিকল্প ফসল চাষেরও চিনত্মা-ভাবনা শুরম্ন করেছেন। বিদ্যুতের ঝামেলা এড়িয়ে তুলনামূলক কম খরচে চাষ করা যায় এরকম ফসল উৎপাদনের দিকে কৃষক ঝুঁকে পড়লে এ এলাকার কৃষিতে নতুন বিপস্নব ঘটে যাবে এতে কোন সন্দেহ নেই। স’ানীয় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপড়্গের (বিএমডিএ) সহকারী প্রকৌশলী নাজমূল ইসলাম জানান, তাদের পরিচালিত ৫৫১টি গভীর নলকূপের আওতাধীন ১৮ হাজার ৬৪ হেক্টর জমির বোরো ধান নিয়ে দুশ্চিনত্মায় থাকা কৃষকদের কপালে ভাঁজ পড়ে গেছে। তিনি জানান, বিদ্যুতের লোডশেডিং আর লো-ভোল্টেজের কারণে গত এক মাসে তাদের ৫৫১টি গভীর নলকূপের মধ্যে ১৫০টির মটর পুড়ে যাওয়াসহ প্রায় নলকূপেরই বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেছে।
Home / সারাদেশ / নওগাঁয় পালস্না দিয়ে চলা বিদ্যুতের লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজে পুড়ে গেছে দেড়শ’ গভীর নলকূপের মটর ॥
আরও পড়ুন...
নওগাঁয় সীমানা প্রাচীরের দ্বন্দে প্রাচীর ভাংচুর ও মারপিট
নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় সীমানা প্রাচীরের বিরোধের জের ধরে ভোগদখলীয় সম্পত্তিতে নির্মাণাধীন ইটের সীমানা প্রাচীর ভাংচুর …